যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের অবসানে কাঠামোগত চুক্তিতে সম্মত হলেও ইরান জানিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কোনো ভবিষ্যৎ আলোচনার অংশ হবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কেবল নিক্ষেপের জন্য, আলোচনার জন্য নয়, এবং দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনার বিষয় নয়।
এই ঘোষণা আসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর, যা ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের আঞ্চলিক যুদ্ধের অবসান ঘটায়। চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির উল্লেখ নেই। প্রায় ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো ব্যাপক হামলার শিকার হয়, তবে তেহরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
যুদ্ধের আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে আলোচনার দাবি তুললেও ইরান তা প্রত্যাখ্যান করে। পরে ট্রাম্প বলেন, অন্য দেশগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র থাকা অন্যায় নয়।