Web Analytics
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও পদক্ষেপ—ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া ও গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে—বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ১৮২৩ সালের মনরো নীতির আধুনিক ও আগ্রাসী সংস্করণ, যা এখন ‘ডনরো নীতি’ নামে পরিচিত। ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকান আধিপত্য আর কখনো প্রশ্নবিদ্ধ হবে না, যা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নীতির মূল লক্ষ্য ভবিষ্যতের জ্বালানি ও প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ। লাতিন আমেরিকার লিথিয়াম, কপার, গ্রাফাইট ও গ্যালিয়ামের মতো দুর্লভ খনিজ এখন চীনের প্রভাবাধীন। ২০০০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চীন এই অঞ্চলে প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এই প্রভাব হটিয়ে পুনরায় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নজর উত্তর মেরুর গ্রিনল্যান্ডেও, যেখানে তেল, গ্যাস ও খনিজের বিপুল সম্ভার রয়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে আর্কটিক বরফমুক্ত হলে এই অঞ্চল বাণিজ্য ও নিরাপত্তার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ফলে ‘ডনরো নীতি’কে আমেরিকার দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক প্রভাব রক্ষার পরিকল্পনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!