দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘ আড়াই বছরের বেশি সময়ের আইপিও খরা কাটার আভাস মিলেছে। ছয়টি কোম্পানি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে আইপিওর আবেদন জমা দিয়ে মোট ৬১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেছে। অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স, ডিজিকন টেকনোলজিস, প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং এবং স্ক্যানডেক্স (বিডি) ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আবেদন করেছে। কনফিডেন্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি পিএলসি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়।
২০২৪ সালের মার্চে টেকনো ড্রাগসের আইপিও অনুমোদনের পর আর কোনো কোম্পানির আইপিও অনুমোদন হয়নি; জুলাইয়ে কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হয়। ডিএসইর সাবেক প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, বাজারে গতি ফেরানো ও নতুন বিনিয়োগকারী আকর্ষণে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি জরুরি। তবে অতীতে দুর্বল ও নামসর্বস্ব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে ক্ষতির অভিজ্ঞতার কারণে আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
আইপিও বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী আবেদনগুলো জমা হয়েছে। কনফিডেন্স পাওয়ারের ৪০০ কোটি টাকার মধ্যে ৩০০ কোটি টাকা ২০০ মেগাওয়াট গ্রিডসংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রে, ৯০ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ পরিশোধে এবং ১০ কোটি টাকা আইপিও ব্যয়ে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলো প্রকল্প সম্প্রসারণ, যন্ত্রপাতি, ঋণ পরিশোধ, সরকারি ট্রেজারি বন্ড ও অনুমোদিত আর্থিক খাতে বিনিয়োগের কথা জানিয়েছে।