নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও গবেষক মেজর জেনারেল (অব.) রোকন উদ্দিন এক নিবন্ধে বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থিতিশীলতাকে কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রশ্ন হিসেবে দেখলে হবে না; এটি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা, সীমান্ত স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তিনি নতুন প্রশাসনের প্রতি জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন বাস্তবায়নের তিনটি লক্ষ্য একসঙ্গে অনুসরণের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, নিরাপত্তা অভিযান প্রয়োজনীয় হলেও তা রাজনৈতিক সমাধানের বিকল্প নয়।
নিবন্ধে বলা হয়, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তিচুক্তি সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটালেও এর বহু গুরুত্বপূর্ণ ধারা বাস্তবায়িত হয়নি। ভূমি কমিশনের অকার্যকারিতা, অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প বহাল থাকা, দুর্বল স্থানীয় শাসন এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারের পুনর্বাসন না হওয়ায় অসন্তোষ রয়ে গেছে। লেখক মিয়ানমারের অস্থিতিশীলতা, সীমান্তবর্তী সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা, জেএসএস-ইউপিডিএফ বিভাজন এবং মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানকে জটিলতার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন, সংলাপ, সুশাসন ও পাহাড়ি-বাঙালি সহাবস্থানের ওপর জোর দেন।