সরকারি অডিট আপত্তি থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিতে উদ্যোগী হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কমিশনের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি (ডিপিসি) একাধিকবার বৈঠক করলেও অর্থ মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগসহ কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক পদোন্নতির বিরোধিতা করেন। তারা উল্লেখ করেন, অডিট আপত্তি যেহেতু নিয়োগ ও আর্থিক বিষয়ে সরাসরি সম্পৃক্ত, তাই এ অবস্থায় পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব নয়। কমিশনের ৩০৪তম সভায় সিদ্ধান্ত হয়, অডিট আপত্তির প্রাসঙ্গিকতা নিরূপণের পরই পদোন্নতি বিবেচনা করা হবে।
তবুও কমিশন ডিপিসির সুপারিশ উপেক্ষা করে লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগকে বিশেষজ্ঞ মতামত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। সূত্র জানায়, জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী নেতৃত্ব পরিবর্তনের আশঙ্কায় কমিশন দ্রুত পদোন্নতি সম্পন্ন করতে চাইছে। সম্প্রতি অনিয়মের বিরুদ্ধে আদালতে রিট করা দুই উপপরিচালককে বদলি করা হয়েছে, যা প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এতে ভবিষ্যতে অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে নিরুৎসাহ সৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া অনুমোদনবিহীন স্পেকট্রাম মনিটরিং স্টেশন পরিচালনা ও অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, যা টেলিযোগাযোগ খাতে অপচয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।