Web Analytics
বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগের মে ২০২৬-এর নীতিপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুনে ইসলামি ব্যাংকগুলোর মোট বিনিয়োগে মুশারাকা ও মুদারাবার সম্মিলিত অংশ ছিল মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। বিপরীতে বাই-মুরাবাহা ও বাই-মুয়াজ্জালের অংশ ছিল ৭০ দশমিক ৪ শতাংশ। লেখাটিতে বলা হয়েছে, ইসলামি ব্যাংকিং ও ইসলামি অর্থায়ন সম্পর্কিত হলেও এক নয়; শুধু ব্যাংক দিয়ে বৃহত্তর ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাফল্য বা ব্যর্থতা বিচার অসম্পূর্ণ।

বাণিজ্যিক ব্যাংক মূলত আমানতনির্ভর হওয়ায় তারল্য, মূলধন পর্যাপ্ততা, আমানত প্রত্যাহার এবং সম্পদ-দায়ের মেয়াদের অসামঞ্জস্য সামলাতে হয়। এ কারণে পূর্বানুমানযোগ্য নগদ প্রবাহের মুরাবাহা ব্যাংক কাঠামোর সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্যদিকে মুশারাকা ও মুদারাবায় অর্থদাতাকে ব্যবসায়িক ঝুঁকি নিতে হয় এবং মুনাফা অনিশ্চিত থাকতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষকেরা প্রতিকূল নির্বাচন, নৈতিক ঝুঁকি, তথ্যের অসমতা ও ব্যয়বহুল তদারকিকে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

লেখাটিতে শুধু ব্যাংককে অংশীদারত্বভিত্তিক অর্থায়নের অনুপাত বাড়াতে চাপ না দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বৈচিত্র্য গড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত কাঠামোয় বাণিজ্যিক ইসলামি ব্যাংকের পাশাপাশি মুশারাকাভিত্তিক বিনিয়োগ কোম্পানি, মুদারাবা তহবিল, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, প্রাইভেট ইকুইটি, সুকুক ও বিশেষায়িত উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।