রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে তিস্তা নদীর তীরে কাদামাটির ওপর পড়ে আছে ‘তিস্তা-রংপুর-২’ মাল্টিপারপাস রেসকিউ বোট। ১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তিস্তার ভাঙনে প্রতিদিন বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হলেও দুর্যোগকবলিত মানুষকে উদ্ধারের জন্য বরাদ্দ নৌযানটি ব্যবহার হচ্ছে না। বোটটির গায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নাম এবং বন্যা উপদ্রুত জেলার জন্য মাল্টিপারপাস রেসকিউ বোট লেখা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গঙ্গাচড়ায় আনার পর উদ্বোধনের দিনই কেবল বোটটি চালানো হয়েছিল; এরপর আর নদীতে চলতে দেখা যায়নি। বাসিন্দা মানিক মিয়া ও মোকলেছুর রহমান বলেন, নদীভাঙন বা বন্যার সময় দ্রুত মানুষ সরিয়ে নিতে নৌযান প্রয়োজন, বিশেষত সরকারি উদ্ধার বোটটি তখন কাজে লাগানো দরকার।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে গেছে এবং নৌযানটি সম্পর্কে তাদের কাছে তথ্য নেই; জেলা অফিস এটি গ্রহণ করেছিল। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া জানান, বোটটি ২০২০-২১ অর্থবছরে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রকল্প বন্ধের পর আর কার্যক্রম হয়নি। স্থানীয়রা বোটটির দায়িত্ব, সংরক্ষণ ও দুর্যোগকালীন ব্যবহারের বিষয়টি দ্রুত স্পষ্ট করে সচল করার দাবি জানিয়েছেন।