অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ থাকা পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ হাজার ৯২৫ জন বিনিয়োগকারীর মধ্যে ১৭ হাজার ৩৩২ জন ক্ষতিপূরণ পাবেন বলে জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। প্রায় ৭২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে দেওয়া শুরু হবে এবং দুই মাসের মধ্যে প্রক্রিয়াটি শেষ হওয়ার কথা। রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসই টাওয়ারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
মশিউর, বানকো, তামহা, ক্রেস্ট ও শাহ মোহাম্মদ সগির সিকিউরিটিজ হাউসের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি করে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাগুলো ২০২২ সাল ও তার আগের সময়ের। পাঁচ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রায় সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে। ডিএসই ইনভেস্টর প্রটেকশান ফান্ড বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন।
ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ইতোমধ্যে প্রায় ৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ এবং তাদের শেয়ার ও ব্যক্তিগত সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে অর্থ আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা ঠেকাতে মনিটরিং ও সার্ভিল্যান্স ব্যবস্থা জোরদারের কথাও জানিয়েছে ডিএসই।