কুমিল্লায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও ছয় প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বাদ পড়াদের মধ্যে লাকসাম উপজেলার ওমর ফারুক একজন গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৫০৮ জনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ৪৭৭ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন এবং যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। বাকি ছয়জন নিয়োগ পাননি। ২০২৫ সালে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষা, ২১ জানুয়ারি মৌখিক পরীক্ষা এবং ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশ করা হয়।
ওমর ফারুক বলেন, তাঁর নামে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই এবং তিনি রাষ্ট্রবিরোধী কাজ বা নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নন। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা, স্বাস্থ্য সনদ ও ডোপ টেস্টের প্রতিবেদনও ঠিক রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। আরেক বাদ পড়া প্রার্থী বলেন, ছয়জন কেন নিয়োগ পাচ্ছেন না, সে বিষয়ে তাঁরা স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাননি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনসুর আলী চৌধুরী বলেন, সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনের কারণে তাঁদের বাতিল করা হয়েছে; কারও নামে মামলা বা অন্য কারণ থাকতে পারে।