বাংলাদেশ সরকার পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে, যা ২০২৬ সালের জুন মাসে কার্যকর হতে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণকারী সংস্থাগুলো বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) প্রস্তাব জমা দিয়েছে, যেখানে পাইকারি পর্যায়ে ১৭–২১ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১৪–১৮ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। এসব প্রস্তাব নিয়ে ২০ ও ২১ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে গণশুনানি হবে। অনুমোদন পেলে জুনের শুরু থেকেই নতুন দাম কার্যকর করতে চায় বিতরণ সংস্থাগুলো।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ১২ টাকার বেশি, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৭ টাকায়, ফলে প্রতি ইউনিটে প্রায় ৫ টাকা লোকসান হচ্ছে। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ৩৮ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকার ভর্তুকি দেওয়ার পরও ১৭ হাজার ২১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। দাম বাড়িয়ে ১০ হাজার থেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগের সমালোচনা করেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা, যাদের মতে বিদ্যুৎ খাতের ঘাটতির মূল কারণ অপচয় ও লুটপাট।
পিডিবি গ্রাহক স্ল্যাব পুনর্গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে দরিদ্র গ্রাহকরা সুরক্ষা পান এবং মধ্যবিত্তদের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে উৎসাহিত করা যায়।