জাতীয় গ্রিড থেকে টানা পাঁচ দিন গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় নেত্রকোণার স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। ৩০ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিতাস গ্যাসের আওতাধীন জেলার প্রায় ৫ হাজার ৬০০ আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক দুর্ভোগে পড়েছেন। বাসাবাড়ির রান্নাবান্না ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জেলার একমাত্র সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে এবং পরিবহন ব্যবস্থায় সংকট দেখা দিয়েছে।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটির কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। জেলায় একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন, ২৪টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সংযোগ রয়েছে। জেলা সদর হাসপাতাল, পুলিশ লাইন্স ও জেলা কারাগারের রান্না এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমও কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে কম চাপের ভোগান্তির পর গত পাঁচ দিনে চাপ কার্যত শূন্যে নেমেছে।
এআর খান পাঠান সিএনজি ফিলিং স্টেশনের প্রকৌশলী বোরহান কবির বলেন, সাত-আট দিন ধরে ইনলেট প্রেসার শূন্য থাকায় যানবাহনে গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না। চালকেরা ব্যয়বহুল এলপিজি ব্যবহার করে প্রতি ট্রিপে অতিরিক্ত ১০ থেকে ২০ টাকা ভাড়া নিচ্ছেন। তিতাসের উপব্যবস্থাপক মো. গোলাম মর্তুজা আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতির আশা প্রকাশ করেছেন।