যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হঠাৎ সিদ্ধান্তে বৈশ্বিক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে বাড়ানোয় নতুন করে উদ্বেগে পড়েছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এই পরিবর্তন এবং ১৫০ দিনের জন্য শুল্কারোপের ঘোষণা কার্যকর হওয়ার সময় অনিশ্চিত থাকায় রপ্তানিকারকেরা নীতিগত অস্থিরতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। যদিও নতুন হারটি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে নির্ধারিত ১৯ শতাংশের নিচে, তবুও তারা মনে করছেন, এই দোলাচল দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, ট্রাম্পের পূর্ববর্তী রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বাতিল হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান বাণিজ্য চুক্তিও বাতিল হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশ সহজে এ ধরনের চুক্তি থেকে সরে আসতে পারবে না এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে চাপের মুখে পড়তে পারে। পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ৩৭.৫ শতাংশ পাল্টা শুল্কের ভয় কেটে গেছে, ফলে চুক্তির ক্ষতিকর শর্তগুলো পুনরায় আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ১৫ শতাংশ শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক আমদানির খরচ কমাতে পারে, যা বাংলাদেশের রপ্তানিতে স্বল্পমেয়াদি সুবিধা আনতে পারে। তবে চীন, ভিয়েতনাম ও ভারতের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হতে পারে।