একটি মতামতধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক পরিবর্তনের নাজুক সময়ে শিশু-কিশোররা সহজেই ক্ষতিকর প্রভাবে জড়িয়ে পড়তে পারে। অতিরিক্ত শাসন, বাবা-মায়ের ব্যস্ততা ও পারিবারিক সঙ্গের অভাব তাদের পরিবার ও সামাজিক মূল্যবোধ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। লেখাটি খারাপ সঙ্গের সঙ্গে ধূমপান, মাদকাসক্তি, কিশোর গ্যাং, চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং অন্যান্য অপরাধের সম্পর্ক তুলে ধরেছে।
লেখায় অনিয়ন্ত্রিত মোবাইল ব্যবহার, দীর্ঘ সময় অনলাইন গেম খেলা, রাতজাগা, গেমে অশ্লীল ভাষা, টিকটক বা রিলসে ভাইরাল হওয়ার নেশাকে স্বাভাবিক বিকাশের বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অনলাইন আইটেমে গোপনে অর্থ খরচ, বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জ, অনুপযুক্ত কনটেন্ট, ট্রল ও সাইবার বুলিং থেকে মানসিক চাপ, হীনম্মন্যতা, ঘুমের ব্যাঘাত, চোখের সমস্যা, মাথাব্যথা, একাকিত্ব ও উদ্বেগ বাড়তে পারে বলে এতে বলা হয়েছে।
লেখক অভিভাবকদের সন্তানের সঙ্গ, মোবাইল ব্যবহার ও মানসিক অবস্থার বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে শুধু পরিবার নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব রয়েছে বলে মত দেওয়া হয়েছে। শিশু-কিশোরবান্ধব শহর গড়তে উন্মুক্ত পার্ক, খেলার মাঠ, ছাদবাগান ও সৃষ্টিশীল কাজে তাদের যুক্ত করার পাশাপাশি মাদক নির্মূলে জরুরি উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।