Web Analytics
ফ্রান্সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের এক সপ্তাহ পরও দুই দেশ সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি। ১৪ দফার এই ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের প্রাথমিক সংশয় কাটিয়ে টিকে আছে। যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে উভয় পক্ষই সংঘাত এড়াতে চায়। চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালিতে আংশিকভাবে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে, যদিও সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়নি এবং সাম্প্রতিক ড্রোন হামলায় উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে ট্রেজারি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে, ফলে ইরান পুনরায় তেল রপ্তানি শুরু করেছে। ইতিমধ্যে তারা ৩৮ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে এবং চীনে বিক্রি বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এখন দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেল তেল বিক্রি করতে পারবে। সমঝোতা স্মারকে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ তহবিল গঠনের পরিকল্পনা এবং ১ হাজার কোটি ডলারের বেশি আটকে থাকা সম্পদ ফেরতের বিষয়ও উল্লেখ আছে, যদিও সময়সীমা স্পষ্ট নয়।

তবে পারমাণবিক পরিদর্শন ও লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। ইরান জাতিসংঘ পরিদর্শকদের পূর্ণ প্রবেশাধিকার দেবে কি না তা স্পষ্ট নয়, এবং লেবাননে উত্তেজনা চুক্তির স্থায়িত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।