২০২৬ সালের ১৮ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান জর্ডান, কুয়েত, বাহরাইন ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তেহরান দাবি করেছে, এসব দেশের মার্কিন বিমানঘাঁটি, রাডার ব্যবস্থা, অস্ত্রের ডিপো ও যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এই হামলা ইরানে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি জানায়, বাহরাইনের প্রধান এআই সেন্টার ও যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ভেসেল ডিপো ধ্বংস করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করে যে, শুক্রবার রাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের কয়েকটি সেতুতে হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিক হত্যা করেছে, যা যুদ্ধাপরাধের শামিল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাক্সিওস জানায়, সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলাটি প্রায় চার মাস পর উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের প্রথম সরাসরি হামলা।
কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইন জানিয়েছে, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করেছে। কাতার জানায়, তাদের বাহিনী বেশ কয়েকটি বিমান হামলা ব্যর্থ করেছে। জর্ডানের সেনাবাহিনী জানায়, তারা ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।