মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মঙ্গলবার কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জীবিত আছেন এবং দেশ পরিচালনায় ক্রমশ আরও সক্রিয় হচ্ছেন। তিনি জানান, ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর থেকে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকায় খামেনি আরও সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে।
রুবিও বলেন, খামেনি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আরও গভীরভাবে যুক্ত হচ্ছেন, যদিও তার সব যোগাযোগ লিখিতভাবে এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হচ্ছে। যুদ্ধের প্রথম দিনে মার্কিন বিমান হামলায় তার বাবা ও পূর্বসূরি নিহত হওয়ার পর থেকে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
এদিকে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে, যার লক্ষ্য এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর দুই দেশের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো। ইরানের আধা-সরকারি মেহের নিউজ জানিয়েছে, তেহরান এখনো প্রস্তাবটি বিশ্লেষণ করছে এবং কয়েক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি।