দিল্লির ভোটার তালিকা সংশোধনে নির্বাচন কমিশনের নোটিস জারির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার একটি আবেদনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলেছে, ভোটারদের কাছে নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়াটি ‘প্রায় যান্ত্রিক’ বলে মনে হচ্ছে। আদালত কমিশনের কাছে যৌক্তিক অসংগতি বলতে কী বোঝায়, তার ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং নোটিসের আগে অতিরিক্ত যাচাই বা ফিল্টার বিবেচনার কথা বলেছে।
বেঞ্চে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনাও ছিলেন। বিচারপতি বাগচী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে নোটিস প্রায় যান্ত্রিকভাবে পাঠানো হচ্ছে বলে মনে হয়। কোন অসঙ্গতির জন্য কী নথি প্রয়োজন, সে বিষয়ে ভোটারদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়ার কথাও বলেছে আদালত। আবেদনকারী অঞ্জলি ভরদ্বাজ ও অমৃতা জোহরি অভিযোগ করেন, বহু নোটিসে ভোটারের নাম নিয়ে নির্দিষ্ট অসঙ্গতির বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়নি। তাঁরা নোটিসপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন।
আদালত বলেছে, ভোটারদের হোয়াটসঅ্যাপ বা ই-মেইলে নথি জমা দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে এবং অযথা সশরীরে হাজির হতে বাধ্য করা যাবে না। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংশোধনকাজে প্রায় ১৪ হাজার বুথ লেভেল অফিসার ও ১ হাজার ২০০ ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার কাজ করছেন। ২৯ অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সময় বাড়াতে কমিশন রাজি।