Web Analytics
আমার দেশ পত্রিকার অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশের মেডিকেল শিক্ষায় ব্যবহৃত মানব কঙ্কালের পেছনে রয়েছে কবর থেকে লাশ চুরির এক ভয়াবহ সিন্ডিকেট। এই চক্র কবর খুঁড়ে লাশ তুলে হাড় আলাদা করে কঙ্কাল তৈরি করে, যা পরে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কাছে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। প্রতিবছর প্রায় ১০ হাজার নতুন শিক্ষার্থী অ্যানাটমি শেখার জন্য এসব অবৈধ কঙ্কালের ওপর নির্ভরশীল। অথচ বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও থ্রিডি প্রযুক্তির মাধ্যমে মানবদেহের অ্যানাটমি শেখানো হচ্ছে। পুলিশের হাতে একাধিকবার মেডিকেল হোস্টেল থেকে মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার হওয়ায় এই বাণিজ্যের ব্যাপকতা স্পষ্ট হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আওয়ামী লীগ আমলে ছাত্রলীগের প্রভাবশালী নেতারা এই কঙ্কাল বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও এই অমানবিক প্রথা বন্ধ হয়নি, বরং অনলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা জানান, পরীক্ষায় ভালো ফলের জন্য বাধ্য হয়ে এসব হাড় কিনতে হয়।

চিকিৎসকরা মনে করেন, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে পরীক্ষায় আসল হাড় নিষিদ্ধ করে থ্রিডি বা প্লাস্টিক মডেল ব্যবহারের ব্যবস্থা করা গেলে এই সিন্ডিকেট ভেঙে পড়বে এবং শিক্ষায় নৈতিকতা ও আধুনিকতা ফিরে আসবে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।