বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা, তবে এ জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলেছেন তারা। বুধবার কুয়ালালামপুরে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের জন্য ক্ল্যাং চাইনিজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত ব্যবসায়িক আলোচনায় এ আগ্রহের কথা জানানো হয়।
ক্ল্যাং চেম্বারের সভাপতি জেফরি ট্যান বলেন, মালয়েশিয়া শ্রমঘন শিল্প থেকে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে অগ্রসর হচ্ছে। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ জ্বালানি অবকাঠামো, ডিজিটাল অর্থনৈতিক সেবা, টেলিযোগাযোগ, সেমিকন্ডাক্টর, হালাল খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন ও দক্ষতা উন্নয়নকে মালয়েশীয় বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করেন।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা চেম্বার ও ক্ল্যাং চেম্বার সমঝোতা স্মারক সই করেছে এবং ৪০টি বিটুবি ম্যাচমেকিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাইকমিশনার মানজুরুল করিম খান চৌধুরী বলেন, বাণিজ্য চুক্তির অনুপস্থিতি একটি প্রধান বাধা; তিনি ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এফটিএ সইয়ের আশা করেন। মালয়েশিয়ার পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশে উন্নত হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানান।