মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কিউবার ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি বর্তমান সরকারের বিকল্প হিসেবে সম্ভাব্য নেতৃত্ব খুঁজছে বলে বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে। ৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হাভানার ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সমঝোতা ব্যর্থ হলে কিউবার সরকারে পরিবর্তন আনার সম্ভাব্য পথ নিয়েও ওয়াশিংটন কাজ করছে। কর্মকর্তারা এটিকে সরাসরি সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা নয়, বরং বিদ্যমান ব্যবস্থার ভেতরে নেতৃত্ব পরিবর্তনের কৌশল হিসেবে দেখছেন।
ওয়াশিংটন এমন বর্তমান বা সাবেক কিউবান কর্মকর্তাকে খুঁজছে যিনি বাস্তববাদী এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। তবে গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, কিউবার পরিস্থিতি ভেনেজুয়েলার চেয়ে ইরানের সঙ্গে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ এবং সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের অনেকে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। অস্কার পেরেজ-অলিভা ফ্রাগা, রাউল গঞ্জালেস রদ্রিগেজ কাস্ত্রো ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাজারো আলবের্তো আলভারেজ কাসাসের নাম আলোচনায় রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন অর্থনীতি উন্মুক্ত করা, মার্কিন ব্যবসার জন্য বাজার খোলা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কেনা এবং রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা তৎপরতা কমানোর দাবি জানিয়েছে। বিনিময়ে মানবিক সহায়তা ও কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে। সিআইএ কিউবা নিয়ে গোপন বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কিউবা সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি জোরদার করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।