ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার পর তেলের দাম বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে, যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধকে দ্রুত জয় হিসেবে ঘোষণা করেছেন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় উপসাগরীয় তেল রপ্তানি বন্ধ হয়েছে এবং তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা একে বৈশ্বিক তেলবাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সরবরাহ বিঘ্ন বলে উল্লেখ করেছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে ১৯৭০-এর দশকের মতো স্থবির মুদ্রাস্ফীতি বা মন্দা দেখা দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের দাম ফেব্রুয়ারির তুলনায় ৬৫ সেন্ট বেড়ে গ্যালনপ্রতি ৩.৫৯ ডলারে পৌঁছেছে। সরবরাহ শৃঙ্খলে জটিলতা ইতিমধ্যে বন্দরজট সৃষ্টি করছে এবং দ্রব্যমূল্য, প্লাস্টিক ও সারসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়াতে পারে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, তেলের উচ্চমূল্য মুদ্রাস্ফীতি স্থায়ী করে তুলতে পারে, যা ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণকে জটিল করবে এবং বন্ধকী সুদের হার উঁচু রাখবে।
দীর্ঘমেয়াদে যুদ্ধ ঋণ ব্যয়, কর্মসংস্থান হ্রাস এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য পুনর্গঠনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।