জেরুসালেমের এক সেলুনে ইউরোভিশন প্রতিযোগিতা নিয়ে আলোচনায় উঠে আসে ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান একাকিত্বের বিষয়টি। গাজায় সামরিক অভিযানে ৭০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর ইউরোপের পাঁচটি দেশ প্রতিযোগিতা বয়কট করে। ইসরাইল দ্বিতীয় স্থান পেলেও আন্তর্জাতিক গবেষণা তহবিল প্রত্যাখ্যান ও বিদেশে তরুণদের সামাজিক বর্জনের আশঙ্কা বাড়ছে।
দেশের ভেতরে অনেকেই বৈশ্বিক সমালোচনাকে অন্যায্য মনে করেন এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার কথা তুলে ধরেন। সমর্থকরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখছেন, যদিও মার্কিন রাজনীতির পরিবর্তন ও ইরান ইস্যুতে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ইউরোপ এখনো বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হলেও পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট।
প্রাক্তন নিরাপত্তা প্রধান অমি আইয়ালন সতর্ক করেছেন, ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র না দিলে মিসর ও জর্ডানের সঙ্গে শান্তি টিকবে না। নেতৃত্বের অভাব ও যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতিতে ইসরাইল আরও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছে, যদি না শান্তির কোনো বাস্তব পথ খুঁজে পাওয়া যায়।