তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে রাজশাহীতে অস্বাভাবিক লোডশেডিং জনজীবনকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত প্রতিদিন আট থেকে পনের ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শিল্প শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। আজ মঙ্গলবার শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে, কারণ বিদ্যুতের অনিশ্চয়তায় পড়াশোনা ও বিশ্রাম দুটোই ব্যাহত হচ্ছে।
তানোর, পবা, গোদাগাড়ী, দুর্গাপুর ও মোহনপুরসহ বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা সেচ সংকটে পড়েছেন, ফলে বোরো ধানসহ নানা ফসল ঝুঁকিতে রয়েছে। ডিজেলচালিত পাম্প ব্যবহার করলেও জ্বালানির সংকট ও খরচ বৃদ্ধিতে আর্থিক চাপ বাড়ছে। শহরের ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, বিদ্যুৎ না থাকায় উৎপাদন ও বিক্রি কমে গেছে, আর গৃহস্থালিতে পানির সংকট ও মশার উপদ্রব বেড়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং লোডশেডিং সামান্য। তবে স্থানীয়রা বলছেন, বাস্তব চিত্র ভিন্ন এবং দ্রুত সমাধান না হলে কৃষি উৎপাদন, স্থানীয় অর্থনীতি ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।