চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একই শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ও সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা গেছে। ১১ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৪৭ পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে এবং ৪১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। বিপরীতে সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৫১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৫ জন ফেল করেছে; পাস করেছে ৭৬ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৫০ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
উপজেলার বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৪ জনের মধ্যে ৬১ জন পাস ও ১৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ফৌজদারহাট কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬৬ জনের মধ্যে ১৩৭ জন পাস করেছে এবং ১৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। সরকারি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সলিমুল্লাহ ফলের জন্য লটারিভিত্তিক ভর্তি, শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি এবং শিক্ষক সংকটকে দায়ী করেছেন।
অভিভাবকেরা দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস, অতিরিক্ত অনুশীলন ও বিষয়ভিত্তিক সহায়তা দেওয়া হয়েছিল কি না, তা পর্যালোচনার দাবি করেছেন। তারা পাঠদান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও একাডেমিক তদারকি তদন্তের কথাও বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম ফলকে গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।