বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের মূল্যায়নে অভিন্ন ১০০ নম্বরের কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর কাঠামো চালু করেছে। রোববার জারি করা সার্কুলারে ৩০টি মূল সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। খেলাপি ঋণ কমানো, শ্রেণিকৃত ও অবলোপন করা ঋণ আদায় এবং বড় ঋণগ্রহীতার কেন্দ্রীভূত ঝুঁকি কমানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক ও আমানতকারীর স্বার্থ রক্ষা এবং খাতে সুশাসন ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাই এই কাঠামোর উদ্দেশ্য।
মূল্যায়নের পাঁচটি ক্ষেত্র হলো সম্পদের মান, মূলধন ও তারল্য, মুনাফা, সুশাসন ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, গ্রাহকসেবা ও বাজার আচরণ। সম্পদের মান, মূলধন ও তারল্য এবং সুশাসন ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণে ২৫ শতাংশ করে নম্বর থাকবে। ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সূচকে লক্ষ্যের ৫০ শতাংশের কম অর্জন বা শূন্য স্কোর হলে সংশ্লিষ্ট কেপিআইয়ের সর্বোচ্চ নম্বরের ২৫ শতাংশ মোট স্কোর থেকে কাটা হবে।
পর্ষদকে এমডি ও সিইওর মেয়াদের শুরুতে লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে এবং ছয় মাস পরপর মূল্যায়ন করতে হবে। বর্তমান এমডি ও সিইওদের প্রথম মূল্যায়নকাল ১ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত। চূড়ান্ত স্কোর বেতন-ভাতা, প্রণোদনা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণে ব্যবহৃত হবে। ধারাবাহিক দুর্বল কর্মদক্ষতায় মেয়াদ নবায়ন না হওয়া বা অপসারণের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।