নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ একাধিক বিদেশি কূটনীতিকের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করেছেন, যার মধ্যে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রী ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধিও রয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ১১ ও ১২ মে কাঠমান্ডু সফরে এসে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা নিয়ে আলোচনা করার কথা ছিল মিস্রীর, কিন্তু শেষ মুহূর্তে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বৈঠক বাতিল করে।
ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শাহ মনে করেন সমমর্যাদার ব্যক্তিদের মধ্যেই বৈঠক হওয়া উচিত এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে আগ্রহী। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত সীমান্ত বিরোধ ও জাতীয়তাবাদী অবস্থানকে সামনে এনে ভারতের ওপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল। লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরা ও কালাপানি অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ২০২০ সালে নেপালের নতুন মানচিত্র প্রকাশের পর আরও তীব্র হয়।
কাঠমান্ডুর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শাহ বর্তমানে প্রশাসনিক সংস্কারে ব্যস্ত এবং এখন থেকে কেবল রাষ্ট্রপ্রধান বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেই বৈঠক করবেন। একই সঙ্গে নেপাল ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি অনুসরণ করছে বলে দাবি করা হয়েছে।