চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় চার দিনের ব্যবধানে পৃথক পাঁচটি ঘটনায় পুকুরে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেলে বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের পূর্ব বহরপুর গ্রামে ছয় বছর বয়সী হুমায়রার মৃত্যু সর্বশেষ ঘটনা। এর আগে শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় আরও চার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়, যা এলাকাজুড়ে গভীর শোক ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়দের মতে, গ্রামীণ বসতবাড়ির পাশে অসংখ্য খোলা পুকুর ও জলাশয় থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী নেই, ফলে শিশুদের জন্য ঝুঁকি বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এক থেকে দশ বছর বয়সী শিশুদের অকালমৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো পানিতে ডুবে মৃত্যু। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন একে প্রতিরোধযোগ্য দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে সচেতনতামূলক প্রচারণা ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছেন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাঁতার শিক্ষা, গ্রামভিত্তিক ডে-কেয়ার ব্যবস্থা এবং কমিউনিটি পর্যায়ে জলাশয় নিরাপত্তা কর্মসূচি চালুর সুপারিশ করেছেন। এলাকাবাসী এ ঘটনাগুলোকে জরুরি জননিরাপত্তা ইস্যু হিসেবে বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।