ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ১৩৬তম দিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর নিরাপত্তা বাবদ টোল বা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। কিন্তু আরব মিত্রদের তীব্র আপত্তির মুখে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি সিদ্ধান্তটি বাতিল করেন। এই ঘটনাটি ইরান যুদ্ধ পরিচালনায় হোয়াইট হাউসের দিশেহারা অবস্থা ও নীতিগত অস্থিরতাকে স্পষ্ট করে তোলে। মাত্র ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল যে অভিযান, তা এখন ২০তম সপ্তাহে গড়িয়েছে।
জনস হপকিন্স, ব্রুকিংস ও অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষকরা বলেন, ট্রাম্পের ইরান নীতি তাৎক্ষণিক আবেগনির্ভর এবং সুসংহত কৌশলবিহীন। তারা মনে করেন, ট্রাম্প ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করেছেন এবং অভিজ্ঞ উপদেষ্টাদের পরামর্শ উপেক্ষা করেছেন। তার প্রশাসন অতিরিক্তভাবে সামরিক শক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হুমকির ওপর নির্ভর করেছে।
সম্প্রতি ভেঙে যাওয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে চেয়েছিল, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়। অভ্যন্তরীণ বিরোধিতার মুখে ট্রাম্প এখন হরমুজ প্রণালীতে নৌ-অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছেন, যদিও বিশ্লেষকদের মতে তিনি এখন নিজের নীতিগত জটিলতায় আটকে পড়েছেন।