২০২৬ সালের ২৯ জুন প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, কুমিল্লা নগরী ও আশপাশে অনুমোদনহীন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোই প্রয়োজনীয় অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও দক্ষ জনবল ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থায় অনিয়ম, ভুল রোগ নির্ণয় ও অপারেশনজনিত জটিলতা বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে মাতৃস্বাস্থ্যসেবায় নিরাপত্তাহীন অস্ত্রোপচার ও অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের কারণে বহু মা ও নবজাতক ঝুঁকিতে পড়ছেন।
কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলার নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা ৪৮৩ হলেও বাস্তবে তা ৭০০-এর বেশি। অনিয়মের কারণে সততা স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও কুমিল্লা আলিফ হাসপাতালকে জরিমানা করা হয়েছে। জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত অভিযান চালানো সম্ভব না হলেও সম্প্রতি ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও পরিবেশ কর্মকর্তারা দুর্বল তদারকি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং মুনাফার লোভকে এই বিশৃঙ্খলার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কর্তৃপক্ষ অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে।