ট্রাম্প প্রশাসন জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ঠেকাতে যথেষ্ট উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগে ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১-এর আওতায় বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে। ২৬ জুলাই প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আগের ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর একই হারে নতুন শুল্ক বসায় মোট শুল্কহারে আপাতত বড় পরিবর্তন হয়নি।
হাতেমের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৪ মাসে কয়েক দফা শুল্ক পরিবর্তন ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, ভিয়েতনামের ওপর ১২ দশমিক পাঁচ শতাংশ শুল্ক থাকায় বাংলাদেশের সঙ্গে দুই দশমিক পাঁচ শতাংশ ব্যবধান কিছুটা মূল্য প্রতিযোগিতার সুবিধা দিতে পারে। তবে ভারত, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা কঠিন হতে পারে। প্রতিযোগীদের তুলনায় বাংলাদেশের শুল্ক কম হলে ক্রেতারা বিকল্প উৎসে যেতে পারেন এবং অর্ডার কমতে পারে।
বিকেএমইএ সভাপতি বাংলাদেশে জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগের গ্রহণযোগ্য ভিত্তি নেই বলে দাবি করেন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে যাচাইয়ের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পোশাক খাত আন্তর্জাতিক সংস্থা, ব্র্যান্ড, নিরীক্ষক ও ক্রেতাদের কঠোর কমপ্লায়েন্স নজরদারিতে রয়েছে। সংগঠনটি যুক্তরাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা ও বাংলাদেশের বাস্তবতা যাচাইয়ের অনুরোধ জানাবে। হাতেম উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের মান ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধি, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন।