আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারসহ তিন বিচারক শনিবার দুপুরে ডিজিএফআইয়ের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা আয়নাঘর পরিদর্শন করেন। বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকা সেনানিবাসের কাফরুল থানাধীন এলাকায় ডিজিএফআইয়ের প্রধান কার্যালয় ও মেসের মাঝের পুরোনো দোতলা ভবনের নিচতলায় অবস্থিত বন্দিশালাটি দেখা হয়।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, সেখানে ছোট-বড় মিলিয়ে ২৬টি স্থায়ী সেল ছিল। দুটি বড় কক্ষ ভিআইপি সেল নামে পরিচিত ছিল এবং সেগুলোতে জানালা ছিল না। কিছু কক্ষে এক বা দুটি এক্সহস্ট ফ্যান, লোহার শিকের দরজার সঙ্গে কাঠের দরজা, টয়লেট ও গোসলখানা ছিল। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুটি সাউন্ডপ্রুফ বিশেষ কক্ষও ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিদর্শনে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশনের সদস্য এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত এই স্থানে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ইসলামপন্থীদের আইনবহির্ভূতভাবে আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসিনা ও ১২ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৩ আসামির বিচার চলছে; তিন সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার রয়েছেন।