আমার দেশ অনলাইনে ২৪ জুন ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিকের তথ্যমতে ইউক্রেনের অধিকৃত অঞ্চলে রুশ সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বহু নারী, যাদের স্থানীয়ভাবে বলা হয় ‘ভিডমা’ বা ‘ডাইনি’। তারা গোপনে তথ্য সংগ্রহ করে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে সহায়তা করছেন। এক ঘটনায় দেখা যায়, এক রুশ সেনা অনলাইনে এক নারী পরিচয়ে প্রতারিত হয়ে নিজের ঘাঁটির অবস্থান প্রকাশ করেন, যার ভিত্তিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের চার বছরে ইউক্রেনের প্রতিরোধ কৌশল বদলে গেছে। এখন ছোট ছোট তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো সামরিক লক্ষ্যবস্তুর অবস্থানে রূপান্তর করা হচ্ছে। সাবেক সংসদ সদস্য লেসিয়া ওরোবেটস বলেন, ইউক্রেনীয় সমাজে ‘ভিডমা’দের দক্ষতার জন্য সম্মান করা হয়। প্রতিরোধ সংগঠক পেত্রো আন্দ্রিউশচেঙ্কো জানান, নারীরা এমন জায়গায় যেতে পারেন যেখানে পুরুষদের পক্ষে যাওয়া কঠিন। ইউক্রেনিয়ান উইমেনস গার্ড ২০১৪ সাল থেকে ৬০ হাজারেরও বেশি নারীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অধিকৃত অঞ্চল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইউক্রেনীয় ড্রোন ইউনিট দ্রুত হামলা চালাতে সক্ষম হয়। তবে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সব সময় সম্ভব নয়।