যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী বড় সামরিক অভিযান শুরুর ছয় মাস পর তিন দেশই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপে পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও কয়েকজন নেতা নিহত হলেও দেশটির সরকার টিকে আছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের প্রধান লক্ষ্যগুলোর বড় অংশ অর্জিত হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি তেলের দাম ৫০ শতাংশ বেড়েছে, যা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। ইপসোসের সাম্প্রতিক জরিপে প্রতি তিনজন মার্কিনের মধ্যে একজনেরও কম যুদ্ধকে সমর্থন করেছেন। ট্রাম্প তেহরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এর নাম রেখেছেন ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ এবং হরমুজ প্রণালি খুলতে চুক্তির আশা প্রকাশ করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও প্রত্যাশিত রাজনৈতিক সুবিধা পাননি এবং ইরানের হুমকি কমেনি। ইরানের হিসাবে, এপ্রিল পর্যন্ত যুদ্ধের ক্ষতি ১৪৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি এবং গত মাসে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশে পৌঁছেছে। তবু অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি; কোনো পক্ষই এখন হার মানতে রাজি নয়।