ইরানের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বিবেচিত মোজতবা খামেনির ওপর হত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে, তবে তিনি অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বলে দুটি ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে। হামলার স্থান বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। ২০০৮ সালের একটি মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তায় মোজতবাকে দক্ষ ও শক্তিশালী নেতা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
এই ঘটনার আগে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। তিনি টানা ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ঘটনার পর ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ সামাজিকমাধ্যম এক্সে সতর্ক করে বলেন, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা যেই হোন না কেন, তাকেও হত্যা করা হবে।
মোজতবা খামেনির ওপর হামলা এবং ইসরাইলের এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিতিশীলতা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।