সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলাসহ চলনবিলের খালগুলোতে উজানের পানি ও বৃষ্টির পানিতে নতুন জল জমেছে। এতে নিম্নাঞ্চল ডুবে যাওয়ায় অনেকের নিয়মিত কাজ বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে স্থানীয় খেটে খাওয়া মানুষ জীবিকার জন্য মাছ ধরার পেশায় যুক্ত হচ্ছে। বাঁশ ও তালের আঁশ দিয়ে তৈরি চাঁই বা খলসুনি দিয়ে মাছ ধরা হয়। এ সময় হাজারো মানুষ এসব ফাঁদ তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করছে।
তাড়াশের নওগাঁ, গুল্টা, নাটোরের চাচকৈড়, রায়গঞ্জের নিমগাছী, সলঙ্গা, চাটমোহর, ছাইকোলা ও মির্জাপুরসহ বিভিন্ন হাটে এসব খলসুনি পাইকারি ও খুচরা বিক্রি হয়। গুরুদাসপুরের চাচকৈড় গ্রামের প্রায় ২৫০ পরিবার খলসুনি তৈরিতে যুক্ত। আকারভেদে প্রতি জোড়া খলসুনির দাম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, তৈরিতে সময় লাগে দুই থেকে তিন দিন এবং উপকরণে খরচ হয় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।
পুরনো প্রজন্মের পাশাপাশি নতুনরাও এ পেশায় যুক্ত হচ্ছে। গৃহবধূ থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও পরিবারের সহায়তায় এই কাজে অংশ নিচ্ছে।