প্রতিদিন চার হাজারের বেশি মানুষ কাজ, শিক্ষা ও উন্নত জীবনের খোঁজে ঢাকায় স্থায়ী হচ্ছেন বলে মাঠ জরিপে উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নতুন শিল্প গড়ে উঠছে না, পুরোনোগুলোও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে হাজারো শ্রমিক বেকার হয়ে রাজধানীতে এসে হকারি ও অটোরিকশা চালানোসহ অনানুষ্ঠানিক পেশায় যুক্ত হচ্ছেন।
নগরবিদদের তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ৮০ লাখ মানুষের জন্য পরিকল্পিত এই শহরে এখন তিন কোটি ৬৬ লাখের বেশি মানুষ বাস করছেন, যা ধারণক্ষমতার ১৩ গুণ। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ২০২৬ সালের গ্লোবাল লাইভেবিলিটি ইনডেক্সে ১৭৩ শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৭১তম। বর্জ্য, যানজট ও জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি চরমে, শহরে বস্তির সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি।
সরকারি নীতিনির্ধারকরা স্বীকার করেছেন যে ঢাকার ওপর চাপ কমাতে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী না হলে ঢাকার বাসযোগ্যতা আরও কমে যাবে।