নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলাম হত্যার ঘটনায় পুলিশ ও গোয়েন্দা ইউনিট তদন্ত চালাচ্ছে। ১৪ অক্টোবর রাতে চাঁচকৈড় বাজার থেকে মোটরসাইকেলে ফেরার পথে তিনি হামলার শিকার হন এবং ২৬ অক্টোবর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিয়ে শাকিলকে ফেলে দেয়, গুলি করে, পরে তাকে ধাওয়া করে একটি স্কুলের পাশের পরিত্যক্ত ঘেরাও স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করে।
তদন্তে রাজনৈতিক বিরোধ, মাদকসংক্রান্ত দ্বন্দ্ব এবং স্থানীয় গ্রুপের সংঘাতকে সম্ভাব্য মোটিভ হিসেবে দেখা হচ্ছে। লোডশেডিং ও সিসিটিভিতে ব্যাকআপ বিদ্যুৎ না থাকায় ঘটনার কোনো ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলের তাজা গুলির খোসা উদ্ধার করে ফরেনসিক পরীক্ষায় পাঠিয়েছে। আসামিদের ধরতে টাওয়ার লোকেশন, কলরেকর্ড, আইএমইআই ও অন্যান্য ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সন্দেহভাজন হিসেবে স্থানীয় বিএনপি এমপি আব্দুল আজিজের বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে আটক করা হয়; অতিরিক্ত রিমান্ডের আবেদন না মঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান। আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং হাবিব হাসান ও ইফতেখার নিয়াজকে খুঁজছে পুলিশ। জেলা বিএনপি বিষয়টি দলের হাইকমান্ডকে জানিয়েছে। শাকিলের বাবা খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।