অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য ৫ হাজার ১৯৬ কোটি টাকার প্রস্তাব করেছেন, যা ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত ৫ হাজার ৩৭১ কোটি টাকার তুলনায় ১৭৫ কোটি টাকা কম। জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নই উন্নয়নের নির্দেশক এবং নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় সরকার আইনি ও বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিচ্ছে।
বাজেটে ডিএনএ বিশ্লেষণের জন্য নতুন সফটওয়্যার সংযোজন, নারী উদ্যোক্তাদের ডাটাবেজ তৈরি, এবং দুই ধাপে ৮০টি আধুনিক দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশফেরত নারী শ্রমিকদের পুনর্বাসন, পথশিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সুরক্ষা, এবং ভিডব্লিউবি কর্মসূচির সম্প্রসারণও এতে অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে ১৭ জেলায় ৩৩টি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প, প্রতিবন্ধী শিশুদের সহায়তা, এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ শিশুদের পরিবারকে এককালীন সহায়তা প্রদানের উদ্যোগও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।