রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ধান ও চালের দামে হঠাৎ পতনে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। গত এক মাসে প্রতিমণ ধানের দাম ২০০–৪০০ টাকা এবং প্রতি কেজি চালের দাম ২–৬ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এতে উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন, আর মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরাও লোকসান গুনছেন। এই দরপতনে কৃষি ও খাদ্য খাতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বড় সংকটে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, বাইরের জেলার ক্রেতা কমে যাওয়া এবং নতুন ধান বাজারে আসার সম্ভাবনায় সরবরাহ বেড়ে যাওয়াই দামের পতনের মূল কারণ। কৃষকরা জানিয়েছেন, উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে চালকল মালিকরা বলছেন, বিদেশ থেকে চাল আমদানি বেশি থাকায় দেশি চালের চাহিদা কমেছে।
কৃষি অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্যহীনতা এবং আমদানির চাপ বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। রাজশাহী জেলা চালকল মালিক সমিতি সরকারকে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ ও বাজার তদারকি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে।