চট্টগ্রামে ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংসদ নির্বাচন। বৃহস্পতিবারের এ নির্বাচনের জন্য প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। জেলার ১৬টি আসনের ১,৯৬৫টি কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছে গেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শহরজুড়ে সক্রিয় অবস্থানে রয়েছে। প্রার্থীরা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, যদিও বিধিনিষেধের কারণে প্রকাশ্যে প্রচার বন্ধ থাকায় তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ভোটারদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে, অনেকে শহর ছেড়ে গ্রামে গিয়ে ভোট দিতে যাচ্ছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন ১,৯৬৫ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ১২,৫৯৫ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ২৯,১৬৫ জন পোলিং কর্মকর্তা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে, পুলিশ সদস্যরা বডি ক্যামেরা ব্যবহার করবেন। বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রশাসনের ভূমিকা সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেছেন, তবে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরী জানিয়েছেন, তাদের জোট উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছেছে।
বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন জানান, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং প্রশাসন অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটের নিশ্চয়তা দেবে।