ইসরাইলভিত্তিক একটি প্রতিবেদনে জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, সিরিয়া ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ইসরাইল সুস্পষ্ট ‘রেড লাইন’ নির্ধারণ না করলে তুরস্কের সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় ও সামুদ্রিক সীমান্তের দিকে আরও অগ্রসর হতে পারে। ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়, ভবিষ্যতে গোলান মালভূমিতে তুর্কি ট্যাংক এবং কায়সারিয়ার উপকূলের কাছে তুর্কি যুদ্ধজাহাজের মুখোমুখি হতে পারে ইসরাইল।
সতর্কতাটি ২০২৫ সালের নাগেল কমিশনের প্রতিবেদনের উদ্বেগের প্রতিধ্বনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই কমিশন ইসরাইলের নিরাপত্তা বাজেট ও সৈন্য সমাবেশ মূল্যায়ন করেছিল। প্রতিবেদনে তুরস্ককে অটোমান-যুগের আধিপত্যবাদী আঞ্চলিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দিকে এগোচ্ছে বলে বর্ণনা করা হয় এবং বলা হয়, সিরিয়া থেকে আসা হুমকি ইরানের হুমকির চেয়েও ভয়ংকর রূপ নিতে পারে।
প্রতিবেদনটি উত্তর সিরিয়ার ইদলিবের কাছে একটি বিমানঘাঁটিতে ইসরাইলি হামলাকে তুরস্কের সম্ভাব্য রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা মোতায়েনের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এতে তুরস্কের নৌবাহিনীর ১২টি সাবমেরিন এবং নির্মাণাধীন নতুন জাহাজের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তুরস্কের সঙ্গে চুক্তিকে তার পররাষ্ট্রনীতি ও সামরিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।