আমার দেশের ২৪ জুলাই ২০২৬-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২৪ জুলাই ২০২৪-এর কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের পদক্ষেপের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চিরুনি অভিযান চালিয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে গ্রেপ্তার করে। এতে ওই দিন প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন এবং ঢাকায় ৬৪১ জন গ্রেপ্তারের দাবি করা হয়েছে। ১৭ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা ২০১ ছাড়িয়েছিল বলেও উল্লেখ করা হয়। নারায়ণগঞ্জে ছাদে বাবার কোলে থাকা সাড়ে ছয় বছরের রিয়া গোপ গুলিবিদ্ধ হয়ে পরে মারা যায় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ জুলাই তুলে নেওয়ার পর ২৪ জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার ও রশিদুল ইসলাম রিফাতকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়। আসিফ ও আবু বাকেরের বক্তব্যে আন্দোলন স্থগিত বা বন্ধের জন্য চাপ এবং আটকে রাখার অভিযোগ উঠে আসে। একই দিনে এডিটরস গিল্ডের ব্যানারে সাংবাদিক ও সম্পাদকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠকে আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও নাশকতাকারী বলা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনের দাবি। এতে জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও পেন্টাগনের নিন্দার কথাও উল্লেখ রয়েছে।