সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত মাছ ও অন্যান্য জলজ সম্পদ আহরণ নিষিদ্ধ থাকায় কর্মহীন নিবন্ধিত বননির্ভর জেলেদের জন্য সরকার প্রথমবার খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। বাগেরহাটের মোংলাসহ সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় কর্মসূচির আওতায় জেলেদের মধ্যে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনের নদী-খাল ও বনসংলগ্ন জলাশয়ে মাছ, কাঁকড়াসহ জলজ সম্পদ আহরণ বন্ধ থাকায় হাজারো জেলের জীবিকায় সংকট তৈরি হয়। উপকারভোগীরা সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, মাছ ধরতে না পারার সময়ে পরিবার নিয়ে কষ্ট কমেছে। তবে তারা ভবিষ্যতে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার দাবিও জানিয়েছেন।
সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট ও মোংলা এলাকার ৮ হাজার ২৭১ নিবন্ধিত জেলের জন্য ৬ হাজার ৬৬২ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন বিভাগ, মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসন যৌথভাবে টহল ও অভিযান চালিয়ে অবৈধ মাছ ও কাঁকড়া আহরণ ঠেকাতে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।