শনিবার ইরানের অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন, যেসব দেশে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান হামলা চালিয়েছিল। চলমান সংঘাতের সময় এমন পদক্ষেপ বিরল। তিনি হামলার দায় স্বীকার করে বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো আগে আক্রমণ না করলে ইরানও তাদের ওপর হামলা করবে না। এই বক্তব্য আসে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর, যেখানে ইরানের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হন এবং কেন্দ্রীয় কমান্ড কাঠামো ব্যাহত হয়।
পেজেশকিয়ানের এই দুঃখপ্রকাশ তেহরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধ ছড়িয়ে না দেওয়ার বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ইরানের অন্তর্বর্তী নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং বিপ্লবী গার্ডসহ সামরিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-সম্পর্কিত হামলা বন্ধ হয়নি; কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থীরা এই মন্তব্যকে দুর্বলতা হিসেবে সমালোচনা করেছেন, আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে আত্মসমর্পণ বলে দাবি করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই দুঃখপ্রকাশ আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টা, অন্তর্বর্তী নেতৃত্বের জন্য সময় অর্জনের কৌশল, অথবা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পুনর্গঠনের সূচনা হতে পারে।