রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ বলেছে, রংপুর নগরীর মাছোয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার মোটিভ উন্মোচন করা হয়েছে। ২২ আগস্ট রাতে স্বজনদের খবরের পর পুলিশ বাড়ির তালা ভেঙে প্রবেশ করে; ২৩ আগস্ট ভোরে গণপতি, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী ও ছেলে প্রিয়মের লাশ উদ্ধার করা হয়।
উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, শুরুতে প্রতিবেশীরা কিছু তথ্য গোপন করলেও গোপন সূত্রে দুই সন্দেহভাজনের নাম পাওয়া যায়। উদ্ধার অভিযান শেষের দেড় ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, সিদ্ধার্থকে তাঁর বাবার সহায়তায় এবং মুগ্ধকে দখিগঞ্জ শ্মশান থেকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই অভিযুক্তকে জেলগেটে প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্ত কর্মকর্তারা। তিন দিনের রিমান্ড আবেদনের বদলে আদালত দুই দিন প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তোফায়েল আহমেদ বলেন, পেশাদারিত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে এবং দ্রুততম সময়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।