মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের প্রথম কর্মকর্তা হিসেবে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বিন-গভিরের প্রকাশ্য সমালোচনা করেছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি। বিন-গভির একটি ভিডিও প্রকাশ করেন যেখানে গাজামুখী মানবিক সহায়তা বহনকারী ফ্লোটিলার বিদেশি কর্মীদের অপমান ও নির্যাতন করতে দেখা যায়। এর পর ইতালি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও কানাডা ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতদের তলব করে। হাকাবি বিন-গভিরের আচরণকে জাতির মর্যাদার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা বলে মন্তব্য করেন, যদিও তার বক্তব্যের একদিন আগেই মার্কিন ট্রেজারি ফ্লোটিলা আয়োজকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
বিশ্লেষকরা বলেন, এই ঘটনাটি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বৈত মানদণ্ডকে স্পষ্ট করেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া চারজন গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সংগঠক গাজা অবরোধ ভাঙা ও মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। মার্কিন ট্রেজারি তাদের হামাস-সমর্থিত বলে দাবি করলেও আয়োজকরা অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এটি গণহত্যাকে সহায়তা করার সমান। ডন ও কুইন্সি ইনস্টিটিউটের মতো সংস্থাগুলো মন্তব্য করেছে, ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ ইসরায়েলকে আরও দায়মুক্তি দিচ্ছে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের ইসরায়েল সমালোচনায় অনীহা প্রকাশ করছে।
পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে।