সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতা ও আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে মামলা করার অনুমতি চেয়েছে আদালত। বিষয়টি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সিলেটে তাজউদ্দিন নামের এক যুবকের নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত। নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম মামলাটি করেন এবং তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। তদন্ত কর্মকর্তা দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও গুলি চালানোর আদেশদাতার তথ্য চাইলেও জেলা প্রশাসন তা সরবরাহ করেনি।
বিজিবি প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেও জেলা প্রশাসনের নীরবতায় তদন্ত স্থবির হয়ে পড়ে। ৮ ফেব্রুয়ারি আদালত ডিসিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয়, কিন্তু ১ মার্চ পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার পর্যবেক্ষণে বলেন, আদালতের আদেশ উপেক্ষা করা আইন ও ন্যায়বিচারের পথে অন্তরায় এবং এটি দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে আইনি অনুমতি নিয়ে আদালতকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই কঠোর অবস্থান সিলেটে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।