পাকিস্তানের সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও নওয়াজ শরীফের পরিচয় হয়েছিল ক্রিকেটের মাধ্যমে, লাহোর জিমখানা ক্লাবে সত্তরের দশকের শেষ দিকে। ধীরে ধীরে তাঁদের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলেও ক্ষমতার রাজনীতিতে প্রবেশের পর সেই সম্পর্ক তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নেয়। দুজনই প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, কিন্তু কেউ সাংবিধানিক মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি; দুজনকেই সাজা ও কারাবরণও করতে হয়েছে।
শুরুতে ক্রিকেট তাঁদের মধ্যে যোগসূত্র গড়ে দেয়। ইমরান পাকিস্তান টেস্ট দলের খেলোয়াড় ছিলেন, আর নওয়াজ ক্লাব ক্রিকেট খেলতেন এবং ইত্তেফাক ক্রিকেট ক্লাব গড়েছিলেন। পরে শওকত খানম হাসপাতালের জন্য জমি পেতে ইমরানকে সহায়তা করেন নওয়াজ এবং এক কোটি রুপি দেওয়ার ঘোষণা দেন। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর নওয়াজ বলেন, তিনি ইমরানকে রাজনীতিতে আসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
২০০৭ সালে লন্ডনে সাক্ষাতের পর তাঁরা জেনারেল পারভেজ মুশাররফের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে অবস্থান নেন। ২০১৩ সালের নির্বাচনের পর তাঁদের সংঘাত আরও তীব্র হয় এবং তাঁরা একে অপরের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন। সোহেল ওয়ারাইচ জোটের সুযোগ দেখেন না, তবে পি জে মীর ভবিষ্যতে সমঝোতার সম্ভাবনা দেখেন।