শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঘোষিত ঢাকার নীরব এলাকাগুলোতেও যানবাহনের অবিরাম হর্ন ও বিকট শব্দ অব্যাহত রয়েছে। সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ভবন, আগারগাঁও এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশসহ এসব এলাকায় শব্দে বাসিন্দা, পথচারী, শিশু, বয়স্ক ও ট্রাফিক পুলিশের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। হাসপাতাল, সরকারি কার্যালয় ও আবাসিক এলাকার স্বাভাবিক শান্ত পরিবেশও বিঘ্নিত হচ্ছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা সিটি করপোরেশন মিলিয়ে রাজধানীর নয়টি এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা করেছে; এর মধ্যে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনও রয়েছে। ২০২৫ সালের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালায় নিষিদ্ধ হর্ন ব্যবহারে সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান আছে। নিষিদ্ধ হর্ন উৎপাদন, আমদানি বা বাজারজাতের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপীয় অঞ্চলের সড়ক-শব্দ নির্দেশিকার চেয়ে বেশি শব্দে বসবাস করছেন এবং প্রায় ৯ লাখ মানুষ ৭০ ডেসিবেলের বেশি শব্দে আক্রান্ত। ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার শামসুর রহমান ভূঁঞা বলেন, অতিরিক্ত শব্দ করা যান শনাক্তে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় আছে এবং মেশিন আনার পর শিগগির অভিযান শুরু হবে।