যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দপ্তরের অভ্যন্তরীণ বার্তায় দেখা গেছে, ইরান যুদ্ধ দেশটির বৈশ্বিক নিরাপত্তা সম্পর্ক ও ভাবমূর্তিকে গভীর সংকটে ফেলেছে। পলিটিকোর হাতে পাওয়া এসব বার্তায় বলা হয়, যুদ্ধের কারণে বাহরাইন, আজারবাইজান ও ইন্দোনেশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে। কূটনৈতিক বার্তাগুলোতে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী প্রচার বাড়ছে এবং ইরানকে ভয়াবহ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
আজারবাইজানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ধসে পড়েছে, বাহরাইনে সরকার প্রশ্নের মুখে পড়েছে এবং ইন্দোনেশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সম্পর্ক কমানোর আহ্বান জোরালো হয়েছে। এসব বার্তায় আরও বলা হয়, যুদ্ধের কারণে ওয়াশিংটন বিভিন্ন দেশের জনগণের আস্থা হারাচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়তে পারে।
দূতাবাসগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইরান যুদ্ধ নিয়ে কোনো মৌলিক কনটেন্ট তৈরি না করতে এবং কেবল হোয়াইট হাউস বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত বার্তা প্রকাশ করতে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে কূটনীতিকরা এ বিষয়ে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন, কারণ তাদের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে এবং কয়েকজনকে বরখাস্তও করা হয়েছে।